৭০-এর জাতীয় পরিষদ নির্বাচন

সম্পাদনা/লেখক: আব্দুল্লাহ আল মামুন
নির্বাচন কোনো প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের কোনো পদে প্রার্থীদের মধ্য থেকে এক বা একাধিক প্রার্থীকে বাছাই প্রক্রিয়া; যেমন সরকার, আইনসভা এবং বিধিবদ্ধ সংস্থাগুলিতে নির্বাচকমন্ডলী কর্তৃক প্রকাশ্য বা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা হয়। নৃতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সকল আদিম জনগোষ্ঠীর মধ্যেই কোনো এক ধরনের নির্বাচন ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর ধরন ছিল প্রায় অভিন্ন। নির্বাচন ছিল প্রাচীন গ্রিসীয় শাসন পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য এবং সেখানে সাধারণত লটারীর মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হতো। আমেরিকার আদিবাসীদের অনেক গোত্রের লোকেরা নির্দিষ্ট কোনো পাত্রে শস্যকণা নিক্ষেপের মাধ্যমে গোত্রপ্রধান নির্বাচন করত। প্রাচীন ভারতে কখনও কখনও স্থানীয় প্রধান নির্বাচিত হতেন। মুগল শাসনবিধানে স্থানীয় জনগণের মনোনীত ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনা করতেন। সম্রাট জেলা পর্যায়ে ফৌজদার ও অপরাপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়োগ করতেন এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হতেন। বাংলায় গ্রামের লোকেরা নিজ নিজ গ্রামের মোকাদ্দম বা গ্রামপ্রধান, পাটোয়ারী বা করআদায়কারী নির্বাচন করত। গ্রাম মোকাদ্দমদের পরামর্শক্রমে পরগণা কাজী ও থানাদার নিযুক্ত হতেন। ১৭৯৩ সাল পর্যন্ত প্রচলিত গ্রাম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ছিল স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাচনধর্মী বৈশিষ্ট্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। কিন্তু উনিশ শতকের সত্তর ও আশির দশকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পঞ্চায়েত প্রথা বহাল ছিল।

আধুনিক জাতি-রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভের উদ্দেশ্যে গঠিত রাজনৈতিক দলের উদ্ভবের ফলে ঐতিহ্যগত নির্বাচন পদ্ধতির রূপান্তর ঘটেছে। নির্বাচন এখন গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। ত্রয়োদশ শতকে ইংল্যান্ডে সংসদীয় ব্যবস্থা গড়ে ওঠার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সূচিত হয়। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন নির্বাচনী আইনের (যেমন ১৬৯৪ সালের ট্রিনিয়্যাল অ্যাক্ট এবং ১৭১৬ সালের সেপ্টেনিয়্যাল অ্যাক্ট) মাধ্যমে এর নিয়মিতকরণ সম্পন্ন হয় এবং উনিশ শতকে পরপর প্রণীত সংস্কার বিলগুলির আওতায় ভোটাধিকারের ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হয়। ১৮৭২ সালে গোপন ব্যালট পদ্ধতি প্রবর্তিত হয় এবং অবশেষে ১৯২৮ সালে সর্বজনীন ভোটাধিকারের বিধান চালু হয়।

অবশ্য বাংলায় নির্বাচনী ব্যবস্থা অনুরূপভাবে বিকশিত হয় নি। ঔপনিবেশিক শাসকেরা নির্বাচিত স্থানীয় সরকার সংস্থা, যেমন গ্রামপ্রধান, পঞ্চায়েত, পাটোয়ারী, আমীন, মুনসেফ, থানাদার ও কাজীর পদসমূহ বিলুপ্তির মাধ্যমে প্রাচীন নির্বাচন ব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে। এসব প্রতিষ্ঠান জনসমর্থন ও সহযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হতো। ১৮৬৮ সালে পৌর আইন (৬নং আইন) প্রণয়নের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশ নির্বাচিত এবং এক-তৃতীয়াংশ মনোনীত সদস্য সমম্বয়ে পাশ্চাত্য ধরনের পৌর কমিটি গঠনের বিধান প্রর্বতন করা হয়। শুধুমাত্র পৌরকরদাতাদেরই সদস্য নির্বাচিত করার অধিকার ছিল। বাংলার পৌরসভাগুলির মধ্যে প্রথমদিকে শ্রীরামপুর, বর্ধমান ও কৃষ্ণনগরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (১৮৬৮)। ১৮৮৪ সালে প্রবর্তিত ৩ নং আইন বলে ঢাকাসহ বাংলার গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভাসমূহ নির্বাচনী ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়। একই আইনে আংশিক নির্বাচন ও আংশিক মনোনয়নের ভিত্তিতে জেলা কমিটি ও স্থানীয় বোর্ডসমূহ গঠিত হয়।

পৌর ও গ্রাম এলাকায় এই সীমিত নির্বাচনী ব্যবস্থা চালুর পর থেকেই গ্রাম পর্যায়ে ভোটাধিকার সম্প্রসারণের নতুন পর্বের সূচনা হয়। ১৯০৯ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক উভয় আইনসভায় নির্বাচনের বিধান প্রবর্তন করা হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় ভোটাধিকার ও নির্বাচনী সংস্থাকে সম্প্রসারিত করা হয়। ১৯০৯ সাল থেকে সম্প্রদায় ও পেশার ভিত্তিতে নির্বাচন শুরু হয়। ১৯২০ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে হলেও পৃথক নির্বাচনের ওপর ভিত্তি করে স্থানীয়, পৌরসভা ও জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন তখনও সর্বজনীন না হলেও সেখানে ব্যাপকভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা হয়েছিল। ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলায় প্রাদেশিক আইন পরিষদে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার ভিত্তিতে এটাই ছিল সর্বশেষ নির্বাচন।

সূচনালগ্ন থেকেই বাংলার জনগণ নির্বাচনে উৎসাহী হয়ে ওঠে। ঢাকা পিপল্স অ্যাসোসিয়েশনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের বিধান প্রবর্তিত হয়। ভোটাধিকার সম্প্রসারণের প্রতিটি পদক্ষেপই ছিল জনগণের দাবির ফল। কিন্তু প্রতিনিধিত্বশীল ব্যবস্থায় জনগণের আগ্রহ সত্বেও পাশ্চাত্য ধাঁচের নির্বাচন বাংলায় কখনও সাফল্যের সঙ্গে কার্যকর হয় নি। লক্ষণীয় যে, ভারতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলি ঔপনিবেশিক শাসকের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঔপনিবেশিক, সাম্প্রদায়িক বা গোষ্ঠি স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। তাই ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণ রক্ষায় সরকার সর্বদাই নির্বাচনকে স্থানীয় অনুগত প্রভাবশালী মহল, বিশেষ করে জমিদারদের অনুকূলে প্রভাবিত করতে সচেষ্ট ছিল। ১৯৩৫ সাল অবধি পৌরসভা, স্থানীয় পর্যায়ের কমিটি ও বোর্ডে নির্বাচিত ও মনোনীত উভয় ক্ষেত্রেই জমিদারদের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। এমন কি ১৯৩৭ সালের নির্বাচনেও তাদের প্রভাব বজায় ছিল।

এরপর নির্বাচনের ইতিহাসে রাজনৈতিক মেরুকরণের ধারা লক্ষ্য করা যায়। ১৯২০ সাল পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন ছাড়াই প্রার্থীরা্যক্তিগত ও স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হন। এমন কি ১৯৩৭ সালের নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ২৫০ আসনের মধ্যে ৮১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী (মুসলিম ৪৩, হিন্দু ৩৯) জয়ী হন। দলীয়ভাবে মনোনীতদের মধ্যে  ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ৫২, মুসলিম লীগ ৩৯, কৃষক প্রজা পার্টি ৩৬ এবং বিভিন্ন উপদল অবশিষ্ট আসন লাভ করে। নির্বাচনের ফলাফলে প্রতীয়মান হয় যে, প্রার্থীদের মধ্যে তখনও তেমন রাজনৈতিক মেরুকরণ ছিল না। পরবর্তী দশকে অবস্থার মৌলিক পরিবর্তন হয়। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে কংগ্রেস ও   মুসলিম লীগের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিরঙ্কুশভাবে পরাজিত করে। প্রায় ৩০০ প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের মধ্যে মাত্র ৮ জন (হিন্দু ৬ ও মুসলিম ২) নির্বাচিত হন। এভাবেই স্বতন্ত্রপ্রার্থীদের নির্বাচনের যুগের পরিসমাপ্তি ঘটে। পরবর্তী সকল নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সাফল্য ছিল একান্তই ব্যতিক্রম।

১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের পর হিন্দুদের ব্যাপকভাবে দেশত্যাগ, জমিদারি প্রথার বিলোপ এবং ১৯৫৬ সালে সর্বজনীন ভোটাধিকারের বিধান প্রবর্তনের ফলে বিভাগপূর্ব নির্বাচন পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ ও জেলা বোর্ড নির্বাচনে তুলনামূলকভাবে নবীন ও অনাবাসিক আইনজীবীরা প্রাধান্য বিস্তার করে। ষাট ও সত্তরের দশকে এ প্রক্রিয়ার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে এবং তখন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পেশাদার রাজনীতিক ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করে। আইয়ুবের দমনমূলক শাসন (১৯৫৮-১৯৬৯), স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন (১৯৬৬-১৯৭১), মুক্তিযুদ্ধ, বাকশাল গঠনসহ যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ড এবং তৎপরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা নির্বাচনের ধারাকে সম্পূর্ণ পাল্টে দেয়। তখন থেকে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য নয়, বরং নির্বাচনকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আইনসিদ্ধ ও বৈধকরণের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়। ১৯৭৫ পরবর্তী দশকগুলিতে অনুষ্ঠিত এ ধরনের বেশ কিছু সাধারণ নির্বাচন বর্জন কিংবা প্রতিরোধের মুখে বাতিল হয়ে যায়।

১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন গণআন্দোলনের ফসল। বাংলাদেশের যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে অনুষ্ঠিত নির্বাচন দুটি স্বাভাবিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। কিন্তু তার জন্য চরম মূল্য দিতে হয়। রাজনৈতিক আন্দোলনের পটভূমিতে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রথম বারের মতো নির্বাচনের ইতিহাসে যুক্ত হয় এক নতুন উপাদান, সন্ত্রাস। সন্ত্রাস কেবল সাধারণ নির্বাচনেই নয়, ব্যক্তিবিশেষের দলীয় অবস্থান নিরূপণের জন্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও পরিলক্ষিত হয়। এ অবস্থা অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনকে কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি সশস্ত্র ক্যাডার লালন করে। এদের কাজ হচ্ছে ভয় দেখিয়ে ভোট সংগ্রহ, নির্বাচন কেন্দ্র দখল এবং প্রয়োজনে ব্যালট বাক্স ছিনতাই। এ পরিস্থিতিতে রাজনীতিবিদ, সংবাদপত্র ও জনগণ অত্যন্ত তিক্ততার মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল গ্রহণ করে। নির্বাচন এমন আত্মকেন্দ্রিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, পরাজিত দল নির্বাচনের ফলাফলকে পাতানো খেলা ও বানোয়াট রূপে আখ্যাত করে তা বাতিল ও নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানায়, আর বিজয়ী ক্ষমতাসীন দল এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে অস্বীকার করে।

নির্বাচনের তথ্যবিবরণী  বাংলাদেশে এ যাবত দশটি  সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ (১৫ ফেব্রুয়ারি), ১৯৯৬ (১২ জুন), ২০০১,  ২০০৮ এব্ং ২০১৪  সালে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭০

জাতীয় পরিষদ নির্বাচন, ১৯৭০

 নির্বাচন তারিখ  ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০
 মোট ভোটার  ২,৯৪,৭৯,৩৮৬
 দেয় ভোট  ১,৭০,০৫,১৬৩ (৫৭.৬৮%)
 মোট আসন  ৩০০
 সংরক্ষিত মহিলা আসন  ৭
 অংশগ্রহণকারী মোট দল  ১৬

ফলাফল

  জোট   রাজনৈতিক দল   মোট প্রার্থী   প্রাপ্ত আসন   প্রাপ্ত ভোট   শতাংশ   দলের প্রতীক
 আওয়ামী লীগ   ১৬২   ১৬০    ১,২৩,৩৮,৯২১    ৭৪.৯     নৌকা
 পিডিপি     ৭৯   ১     ৪,৮৩,৫৭১   ২.৯
 নিজামে ইসলামী    ৪৯   ০   ০     ০
 জামাতে ইসলামী     ৭০    ০   ৯,৯১,৯০৮   ৬
 পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কনভেন)   ৯৩    ০   ৪,৬৪,১৮৫   ২.৮
 পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউ)    ৫০     ০   ২,৭৪,৪৫৩  ১.৬
 পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইউম)   ৬৫   ০    ১,৭৫,৮২২    ১
 ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ওয়ালী)    ৩৯    ০   ৩,১০,৯৮৬   ১.৮
 স্বতন্ত্র (রাজনীতিক)   ১১৪    ১    ৫,৬১,০৮৩   ৩.৪

প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন, ১৯৭০

 নির্বাচন তারিখ  ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭০
 মোট ভোটার  ২,৯৪,৭৯,৩৮৬
 দেয় ভোট  —
 মোট আসন  ৩০০
 সংরক্ষিত মহিলা আসন  ১০
 অংশগ্রহণকারী মোট দল  —

ফলাফল

 জোট  রাজনৈতিক দল  মোট প্রার্থী  প্রাপ্ত আসন  প্রাপ্ত ভোট  শতাংশ  দলের প্রতীক
 আওয়ামী লীগ  ৩০০  ২৮৮  ৮৯  নৌকা
 পিডিপি  ২  ১
 নিজামে ইসলামী  ১
 জামাতে ইসলামী  ১  ৩
 ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ওয়ালী)  ০  ০.৯
 পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউ)  ০  ০.০৫
 পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কনভেন)  ১  ১
 পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইউম)  ০  ০.০৫
 স্বতন্ত্র (রাজনীতিক)  ৭  ৫

আরও পড়ুন