বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা ও শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ

সম্পাদনা/লেখক: আব্দুল্লাহ আল মামুন

২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন হচ্ছে দক্ষতার সঙ্গে। বর্তমানে জনগণের মাথাপিছু আয় প্রায় ১ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার। শিক্ষা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। শিশুমৃত্যু হার, মাতৃমৃত্যু হার ঈর্ষণীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা হয়েছে। ব্যাংকের রিজার্ভ গর্ব করার মতো। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে উন্নত দেশের বৈশিষ্ট্যে

১৯৬৬ সালের ৭ জুন তারিখটি ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করে প্রথমে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ; পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬; পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা পেশ করার পর পাকিস্তানের সামরিক সরকার প্রধান আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী ভেবেছিল ছয় দফার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের নামে স্বাধীনতা চান। ফলে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জেল-জুলুম দিয়ে হয়রানি শুরু করে শাসকগোষ্ঠী। ১৯৬৬ সালে ছয় দফার পক্ষে প্রচার চলাতে থাকলে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের যেখানেই জনসভা করতে যান সেখানেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যশোর, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ নানা জায়গায় বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। অদম্য নির্ভীক বঙ্গবন্ধু জেলখানা থেকে জামিনে বের হয়েই আবার জনসভায় যোগ দেন।

১৯৬৬ সালের ৮ মে নারায়ণগঞ্জে বিশাল জনসভায় বক্তৃতা করে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে এলে ওইদিন রাতেই ১৯৬৫ সালের দেশরক্ষা আইনের ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়। শেখ মুজিবের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ১৩ মে পল্টনে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং সমাবেশ থেকে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ ৭ জুন হরতালের ডাক দেয়। সারা দেশের জনগণ হরতালে পক্ষে রাস্তায় নেমে আসে। সকাল থেকেই ঢাকায় হরতালের পক্ষে মিছিল, পিকেটিং চলতে থাকে। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে কোহিনুর কেমিকেল ও হক ব্রাদার্স কোংয়ের সামনে শ্রমিকরা পিকেটিং করতে থাকলে পুলিশ অতর্কিত শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায়। পুলিশের গুলিতে বেঙ্গল বেভারেজ কোম্পানির শ্রমিক মনু মিয়া ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় মিছিলে গুলি চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করা হয়। মনু মিয়াসহ হরতালে হতাহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক গ-গোল হয়। নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকরা রেললাইনের সিøপার উপড়ে ফেলে রেলের ওয়াগনে আগুন ধরিয়ে দেয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১৩ জন শহীদ হন। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের নেতাদের গ্রেপ্তার করে জেলে ঢোকানো হয়। সেই থেকে শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে প্রতি বছর পালন করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন এমন একটি সময় যখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ভোট ও ভাতের নিশ্চয়তা ছিল না। রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছিল না। অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছিল না। সামরিক সরকারের জুলুম-অত্যাচার আর একচেটিয়া শোষণে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ছিল পাকিস্তানের পরাধীন নাগরিক। শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফাকে বলেছিলেন ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’। অর্থনৈতিক মুক্তির একমাত্র উপায় ছিল ছয় দফার মধ্যে। সারা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কাছে ছয় দফার গুরুত্ব তুলে ধরতে শেখ মুজিব জেলায় জেলায় মহকুমায় মহকুমায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। ‘আমাদের বাঁচার দাবি ছয় দফা’ এই পোস্টারে পোস্টারে ঢেকে গিয়েছিল ঢাকাসহ সারা পূর্ব পাকিস্তানের দেয়াল। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের আর কোনো উপায় ছিল না ছয় দফার বিকল্প কিছু ভাববার। কারণ শেখ মুজিবুর রহমান ভেবেছিলেন অর্থনৈতিক মুক্তি আর রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে ছয় দফা বাস্তবায়নই একমাত্র পথ।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানকে গুরুত্বহীন করে রাখে। ১৯৪৮ সালে প্রথম তারা বাঙালির ভাষার প্রশ্নে দ্বিমত পোষণ করে। চিরায়ত বাংলা ভাষাকে অমর্যাদাকর করতে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চালানো হয়। বাঙালি সেটি মেনে নেয়নি। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে, জীবন দিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছে ১৯৫২ সালে। ইতিহাসে জ্বলজ্বল করছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত অধ্যায় ২১ ফেব্রয়ারি। বাংলার আনাচে-কানাচে ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার দাঁড়িয়ে আছে সাক্ষী হিসেবে। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাকিস্তানের মুসলিম লীগের বড় বড় নেতারা আওয়ামী মুসলিম লীগের তরুণ নেতাদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ‘যুক্তফ্রন্ট’কে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছিল। নৌকা ছিল সাধারণ জনগণের মার্কা। ‘যুক্তফ্রন্টে’র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কৃষক-শ্রমিক পার্টি (একে ফজলুল হক), নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী পার্টি মূলত সাইনবোর্ড সর্বস্ব রাজনৈতিক দল ছিল। মূল দল ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ। শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শিতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানের মুসলিম লীগ নেতারা কুপোকাৎ হয়েছিল। অবশ্য মুসলিম লীগের এই রাজনৈতিক পরাজয় যুক্তফ্রন্টের জন্য সুফল বয়ে আনেনি। মাত্র দুই মাসের মাথায় সংবিধানের ৯২ (ক) ধারায় কেন্দ্রীয় শাসন জারি করে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভাকে ভেঙে দেয় পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার।

১৯৫৫ সালে আওয়ামী রাজনীতিতে আসে আদর্শগত পরিবর্তন। আওয়ামী মুসলিম লীগের স্থলে দলের নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতি দলে পরিণত হয় আওয়ামী লীগের রাজনীতি। সাধারণ জনগণের স্বার্থে পূর্ব পাকিস্তানের একমাত্র রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ছিল ঈর্ষণীয়। ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইলের কাগমারি সম্মেলনে আওয়ামী লীগ ভেঙে ন্যাপ গঠন করেন মওলানা ভাসানী। শেখ মুজিব শত রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবেসে জনগণের রাজনৈতিক দলে পরিণত করতে সক্ষম হন। ১৯৫৮ সালে প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা আইয়ুব খানকে সেনাবাহিনী প্রধান ও সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করেন। আইয়ুব খান সুযোগ বুঝে ইস্কান্দার মির্জাকে দেশান্তরিত করে পাকিস্তানের সর্বত্র সামরিক আইন জারির মাধ্যমে পাকিস্তানের সংবিধান (১৯৫৬) স্থগিত করেন এবং সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেন। রাজনীতি নিষিদ্ধ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ অধিকার বঞ্চিত হয়ে সামরিক আইনের জাঁতাকলে যখন নিষ্পেষিত, ঠিক সে সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান ঘরে ঘরে পাকিস্তানের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরেন। সংগঠিত করেন সাধারণ জনগণকে।

পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (১৯০৬) ১১ বছর দেশ পরিচালনা করার পর ১৯৬২ সালে তা ভেঙে যায়। আইয়ুব খান সমর্থিত কনভেনশন মুসলিম লীগ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান কনভেনশন মুসলিম লীগ থেকে গোলাপ ফুল মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন, অন্যদিকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ মুসলিম লীগ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ ফাতেমা জিন্নাহকে নির্বাচনে সর্বান্তকরণে সমর্থন করে। আইয়ুব খান ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হন। কাশ্মীর নিয়ে ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের যুদ্ধ বাধলে যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কোনো নিরাপত্তা দেয়নি পাকিস্তান সরকার। শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিষয়টি পাকিস্তান সরকারকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তারা আমলে নেয়নি। উপরন্তু পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করতে থাকে সামরিক সরকার।

পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর পাকিস্তান সরকারের মাত্রাতিরিক্ত অবহেলা ও বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে সম্মিলিত বিরোধী দলের সম্মেলনে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। ছয় দফাকে পাকিস্তান সামরিক সরকার প্রচ-ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের এক সভায় বলেন, যারা ছয় দফার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে তারা দেশের শত্রু। তারা ছয় দফার নামে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। মওলানা ভাসানী ২৩ মার্চ বলেন, শেখ মুজিবের ছয় দফা সিআইর দলিল। সাম্রাজ্যবাদীদের চক্রান্তের ফসল ছয় দফা। মূলত আইয়ুব খান, মোনায়েম খানদের রক্তচক্ষুকে ভয় পাননি শেখ মুজিব। সারা পূর্ব পাকিস্তানে প্রায় ৪০টি জনসভা করে শেখ মুজিব ছয় দফাকে জনগণের দাবিতে পরিণত করতে সক্ষম হন।

ছয় দফা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের বাঁচার দাবিতে পরিণত হলে আইয়ুব খান শেখ মুজিবুর রহমানকে ভীতির চোখে দেখা শুরু করেন। জেল-জুলুম দিয়েও যখন শেখ মুজিবকে দমানো যাচ্ছে না তখন ১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবসহ ৩৫ জন সামরিক-বেসামরিক নাগরিকের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে একটি দেশদ্রোহী মামলা দায়ের করেন। ১৮ জানুয়ারি ১৯৬৮ ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। আইয়ুব খানের এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা মোকাবিলা করতে শেখ মুজিবের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের সাড়ে সাত কোটি জনগণ একতাবদ্ধ হয়ে যায়। যার ফলে ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলন। গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রক্টর শামসুজ্জোহা। জনগণের আন্দোলনের চাপে ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ শেখ মুজিবকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হন আইয়ুব খান। ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে শেখ মুজিবকে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জনসভায় ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর ছয় দফাই পরবর্তী সময়ে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক বিজয় এনে দিয়েছিল। যার ফলে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। সে কারণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন সত্তা। ১৯৬৬ সালের বঙ্গবন্ধুর সেই অবহেলিত পূর্ব পাকিস্তান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ আজ তারই উত্তরাধিকার জননেত্রী, সফল রাষ্ট্রনায়ক, শান্তির দূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে উন্নত, সমৃদ্ধ এক গর্বিত বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন হচ্ছে দক্ষতার সঙ্গে। বর্তমানে জনগণের মাথাপিছু আয় প্রায় ১ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার। শিক্ষা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। শিশুমৃত্যু হার, মাতৃমৃত্যু হার ঈর্ষণীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা হয়েছে। ব্যাংকের রিজার্ভ গর্ব করার মতো। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে উন্নত দেশের বৈশিষ্ট্যে। প্রযুক্তির ব্যবহার গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ আর কোনো স্বপ্ন নয়, বাস্তব। সারা বিশ্বে আজ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ উন্নয়নের এক রোল মডেল।

ড. এএইচএম মাহবুবুর রহমান
চেয়ারম্যান, সমাজকর্ম বিভাগ
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জামালপুর

আরও পড়ুন