‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’- বিবেক ও সভ্যতার লজ্জা

সম্পাদনা/লেখক: আব্দুল্লাহ আল মামুন

পৃথিবীর ইতিহাসের বর্বরতম আইনগুলোর একটি ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ। বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি বদলে দিয়ে স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিভ্রান্ত ও বিদ্রুপের কুজ্ঝটিকায় নিমজ্জিত করতেই মূলত এই অনৈতিক অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সুপরিকল্পিত মদদে, তৎকালীন সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান ক্ষমতালোভী জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সামরিক বাহিনীর কিছু পথভ্রষ্ট কর্মকর্তা সপরিবারে হত্যা করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আরোহনের পথে প্রথম উপাখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিলেন খন্দকার মোশতাক। ১৯৭৫ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর অবৈধ ও স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদকে দিয়ে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ- ৫০/১৯৭৫ জারি করান জিয়ার মদদপুষ্ট খুনি চক্রটি। এরই ধারাবাহিকতায় খন্দকার মোশতাকের জারি করা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পরেই সাংবিধানিক বৈধতা দেন।

 ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা, পুতুল রাষ্ট্রপতি মোশতাককে দিয়ে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করানো, ’৭৭ সালের ২২ এপ্রিল অস্ত্রের মাধ্যমে বিচারপতি সায়েমকে সরিয়ে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দিয়ে খুনিদের পুরস্কৃত করা এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্তরাজ্যে গঠিত অনুসন্ধান কমিশনের সদস্যদের দেশে আসতে বাধা দেয়া- এসবই ছিল সাবেক পাকিস্তান ইনটেলিজেন্সের অফিসার ক্ষমতালোভী জিয়ার মানসপটে আকা ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের চিত্রনাট্য

জিয়াউর রহমানের সরকার সাংবিধানিক বৈধতা না দিলে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল সামরিক আইন প্রত্যাহারের সঙ্গে সঙ্গেই ১৫ অগাস্টের খুনিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু জিয়াউর রহমান ব্যবস্থা নেওয়া দূরে থাক, ভবিষ্যতে কেউ যেন ব্যবস্থা না নিতে পারে পাকাপাকিভাবে সে ব্যবস্থাও করে দেন। অধ্যাদেশটিতে দুটি ভাগ রয়েছে, প্রথম অংশে বলা হয়েছে, “১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট ভোরে বলবত আইনের পরিপন্থী যা কিছুই ঘটুক না কেন; এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টসহ কোন আদালতে মামলা, অভিযোগ দায়ের বা কোন আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে না”। দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, “রাষ্ট্রপতি উল্লিখিত ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে যাদের প্রত্যয়ন করবেন তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হলো।”

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে উপ-রাষ্ট্রপতি কিংবা স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। খন্দকার মোশতাক মন্ত্রী ছিলেন; উপ-রাষ্ট্রপতি কিংবা স্পিকার ছিলেন না। খুনি চক্রটি উপ-রাষ্ট্রপতি ও স্পিকারকে রাষ্ট্রপতি না করে মোশতাককে অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতি করেছিল তাদের স্বার্থে। মোশতাককে রাষ্ট্রপতি পদে বসালেও তখন সবকিছুই জিয়ার চিত্রনাট্য অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করছিল খুনি চক্রটি। তারা বঙ্গভবনের দখল নিয়ে মোশতাককে তাদের হাতের পুতুলের মতো কাজ করতে বাধ্য করতেো। ২০ আগস্ট মার্শাল ল’ জারি এবং ২৫ আগস্ট জিয়াউর রহমানকে চীফ অব আর্মি স্টাফ নিযুক্ত করা সেই চিত্রনাট্যেরই দ্বিতীয় পর্ব। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ৯ দিনের মাথায় জিয়াউর রহমানের সেনাপ্রধান হওয়ার ঘটনা ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতারই অংশ। জিয়ার সেনাপ্রধান হওয়ার এক মাস দুই দিন পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর হত্যাকারীদের সুরক্ষার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি, খুনিদের ক্রীড়নক খন্দকার মোশতাক। এ সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করেন শাহ আজিজ। এটা অনস্বীকার্য যে সেনাপ্রধানের গ্রিন সিগনাল বা অনুমোদন ও পরামর্শ ছাড়া নড়বড়ে রাষ্ট্রপতি মোশতাকের ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা সম্ভব ছিল না।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাকের ক্ষমতা ছিল মাত্র ৮৩ দিনের। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশারফফের অভ্যুত্থান এবং ৭ নভেম্বর তার পাল্টা অভ্যুত্থানের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান তার প্লানমাফিক রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে আবির্ভূত হন। ১৯৭৬ সালের ২৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি সায়েম জেনারেল জিয়াউর রহমানের কাছে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল সায়েম রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান এবং জিয়া রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সামরিক আইনের অধীনে দেশে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ওই নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের দল নবগঠিত বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশসহ চার বছরে সামরিক আইনের আওতায় সব অধ্যাদেশ, ঘোষণাকে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়। সংশোধনী পাস হয় ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল। সংসদে উত্থাপিত আইনটির নাম ছিল ‘সংবিধান (পঞ্চম সংশোধনী) আইন, ১৯৭৯’। এ সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দেওয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা দায়মুক্তি পেয়ে যায়।

প্রশ্ন জাগতে পারে কুশীলব জিয়া কেন এটা করলেন? এতে তার কী স্বার্থ? উত্তর হচ্ছে, জিয়া জানতেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। তার সংশ্লিষ্টার বিষয়টিও আর গোপন থাকবে না। তাই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবেই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি সংবিধানে জুড়ে দিয়ে এই প্রচারও চালানো হয় যে, যেহেতু ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংবিধানের অংশ হয়ে গেছে তাই এই আইন আর পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে না।

স্পষ্টতই, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের একমাত্র বেনিফিশিয়ারি জিয়া। তার আরেকটি বড় প্রমাণ হলো, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্তরাজ্যে যে অনুসন্ধান কমিশন গঠিত হয়েছিল তার সদস্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি জেফরি টমাস ও তার সহকারিকে ’৮১ সালে বাংলাদেশে আসতে বাধা দেন জিয়াউর রহমান। বিদেশে থাকায় বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যাকে আশ্রয় দেয়ার কারণে জার্মানিতে নিযুক্ত তৎকালীন রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীকে ওএসডি করা হয়।জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার পাসপোর্ট নবায়ন করায় ভারতে নিযুক্ত সেই সময়ের রাষ্ট্রদূতকে চাকরিচ্যুত করা হয়।’৭৫-এর ৩১ ডিসেম্বর দালাল আইন বাতিল করা হয় (যা বঙ্গবন্ধু সরকার প্রণয়ন করেছিল), কারাগারে আটক ও দণ্ডিত সব যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেওয়া হয়, ’৭৬ সালে সেকেন্ড প্রক্লেমেশন অর্ডার নং-৩/১৯৭৬ জারি করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের শর্তাবলী তুলে দেওয়া হয়।

রাজাকার শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী এবং রাজাকার আলীমকে মন্ত্রী বানানো হয়। শহীদ পরিবারের জন্য বঙ্গবন্ধু যে সকল বাড়ি বরাদ্দ করেছিলেন জিয়াউর রহমান জোরপূর্বক ওইসব বাড়ি থেকে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুলিশ বা সেনাবাহিনী দিয়ে উৎখাত করেন। বঙ্গবন্ধু ’৭৩ সালে ১৮ এপ্রিল গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম গংয়ের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিলেন। জিয়াউর রহমান ’৭৮ সালে গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে আনেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী কর্নেল (অব) শাফায়াত জামিল বিচার আদালতে এক সাক্ষ্য দেন- ১৫ আগস্ট সকাল অনুমান ৬টায় মেজর রশিদ তাকে বলে- ‘We have captured state power under Khandakar Mustaque, Sheikh is killed, do not try to take an action against us.’ এ কথা শুনে শাফায়াত জামিল হতচকিত হন। দ্রুত ইউনিফরম পরে হেড কোয়ার্টারের দিকে রওনা দেন। পথিমধ্যে জেনারেল জিয়াউর রহমানের বাসায় যান এবং তাকে শেভরত অবস্থায় পান, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে জিয়াউর রহমান তখন শাফায়াত জামিলকে বলেন, ‘So what president is killed….’

জিয়াউর রহমান ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বা বহাল রেখেই বসে থাকেননি। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী খুনিদের নানাভাবে পুরস্কৃতও করেছিলেন। এমনকি খুনিদের যোগ্যতা না থাকার পরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাসে ভিন্ন ভিন্ন কূটনৈতিক পদে।

আব্রাহাম লিঙ্কনকে হত্যার ৩ মাসের কম সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হয়েছিল। ইন্ধিরা গান্ধী হত্যার ৪ বছরের কম সময়ের মধ্যে ও মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার ২ বছরের কম সময়ের মধ্যে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। কিন্তু, সমগ্র জাতির ঐক্য ও আস্থার প্রতীক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর বিচারের বাণী নিভৃতে কেঁদেছিল। কারণ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের সকল পথই রুদ্ধ করে রেখেছিল জিয়া।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার শুরু করতেই আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ২১ বছর এবং ৩৪ বছর পর কার্যকর হয়েছে রায়। নানারকম বিরোধিতা, ষড়যন্ত্র, প্রতিবন্ধকতা পার করে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে আইনি বাধা অপসারণের প্রক্রিয়া হিসেবে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল’ ১৯৯৬ সালে সপ্তম সংসদে উত্থাপন করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর আইনটি সংসদে পাস হয়। ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর এটি পরিপূর্ণভাবে আইনে পরিণত হয়। ফলে মোশতাকের জারি করা এবং মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সময় বৈধতা পাওয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হয়।

২০০১-এর অক্টোবরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করে। আইনের চলমান প্রক্রিয়া বন্দি হয় রাজাকারের প্রকোষ্ঠে। শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা তুলে দেওয়া হয় যুদ্ধাপরাধী নিজামী-মুজাহিদদের কাছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার উচ্চ আদালতের চলমান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয় জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার।

অতঃপর ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্ট। আপিলকারী ৫ আসামির আপিল খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্ট। আইনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি আসামিদের সাজা কার্যকর করা হয়। জাতি কলঙ্ক থেকে আংশিকভাবে মুক্ত হয়। অন্য আরেকজন আসামীর ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল ফাঁসি কার্যকর হয়, একজন ২০০১ এ মৃত্যুবরণ করেন। সাতজন খুনি এখনো পলাতক রয়েছে। বস্তুত, বাঙালি হিসেবে আমাদের লড়াইটি এখনও রয়ে গেছে।

১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা, পুতুল রাষ্ট্রপতি মোশতাককে দিয়ে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করানো, ’৭৭ সালের ২২ এপ্রিল অস্ত্রের মাধ্যমে বিচারপতি সায়েমকে সরিয়ে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দিয়ে খুনিদের পুরস্কৃত করা এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্তরাজ্যে গঠিত অনুসন্ধান কমিশনের সদস্যদের দেশে আসতে বাধা দেয়া- এসবই ছিল সাবেক পাকিস্তান ইনটেলিজেন্সের অফিসার ক্ষমতালোভী জিয়ার মানসপটে আকা ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের চিত্রনাট্য।

এস এম রাকিবুল হাসান : সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ।

আরও পড়ুন