স্বপ্ন ও সাহসের প্রতিভূ

সম্পাদনা/লেখক: Zakir Hossain

শেখ হাসিনাসহ ১৫ দলের নেতাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি (১৯৮৩) গ্রেপ্তার করে দীর্ঘদিন আটক রাখা হয়েছে ক্যান্টনমেন্টে। নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার তারা। ক্যাপ্টেন-মেজররা তাদের হেনস্তা-হয়রানি করছে। খালেদা জিয়াও ক্যান্টনমেন্টে, তবে সেনাবাহিনীপ্রধানের বাসভবনে- নিরাপদ ও আরামদায়ক জীবনে। রাজপথে সক্রিয় হওয়ার পরবর্তী দিনগুলোতে শেখ হাসিনার পথচলা সহজ ছিল না। দল কেবল গুছিয়ে তুলছেন।

চার দশক চলে গেল, কিন্তু মনে হয় এই তো সেদিনের ঘটনা- মানিক মিয়া এভিনিউয়ে লাখ লাখ মানুষের সামনে উপস্থিত বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তার চোখের পানি বাঁধ মানে না। প্রকৃতিও কাঁদছে তার সঙ্গে। কাঁদছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুরাগীরা। চার দশক আগে, ১৯৮১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ‘সদা হাস্যোজ্জ্বল এক প্রাণময়ী নারী, পুরুষোত্তম পিতার সংগ্রামী আদর্শ আর সর্বংসহা মাতার অসীম ধৈর্য যার এগিয়ে যাওয়ার পুঁজি’- সেই তিনি কীভাবে এই গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন? দায়িত্ব লাভের ঠিক তিন মাস পর তিনি ফেরেন প্রিয় স্বদেশে, মানিক মিয়া এভিনিউয়ের বিশাল প্রান্তরে বৃষ্টিস্নাত লাখ লাখ নারী-পুরুষের সমাবেশে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে যখন বলেছিলেন- ‘সব হারিয়ে আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি’- ফের কান্নার রোল।

১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইডেন হোটেলে বাংলাদেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা নেতা-কর্মীরা গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন নতুন নেতৃত্বের জন্য। ক্ষমতায় স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান। তার সদা ভয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল আওয়ামী লীগকে নিয়ে। মাত্র ৩৪ বছর বয়সী শেখ হাসিনাকে এ দলের সভাপতির দায়িত্ব প্রদানের পর তিনি বুঝতে পারেন- আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। কর্মী-সমর্থকরা নববলে বলীয়ান হয়ে উঠেছে।

১৫ আগস্টের ভয়ংকর-নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের পর শেখ হাসিনার দায়িত্বগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ ছিল না। একটানা ৬ বছর ছিলেন নির্বাসিত জীবনে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুণ্ঠিত। রাজনৈতিক অঙ্গনে জিয়াউর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার সহযোগী আলবদর-রাজাকারদের দল জামায়াতে ইসলামী ও মুসলিম লীগ পুনর্বাসিত। অপরদিকে, আওয়ামী লীগ বিপর্যস্ত। নেতৃত্বের মধ্যে নানা মত। একদল হাত মিলিয়েছে খুনি মোশতাক কিংবা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। সামরিক শাসকদের প্রলোভনের ফাঁদে তারা পা দিয়েছে। সামরিক ফরমান জারি হয়েছিল- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের কথা কেউ বলতে পারবে না।

এমনকি তার নামও নেয়া যাবে না। আরেক দল হতাশ, হতোদ্যম। কিন্তু আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছিল নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা- যারা বঙ্গবন্ধুকে ভোলেনি, একাত্তরের চেতনাকে ভোলেনি। ১৫ আগস্টের পর সেই দুঃসময়ের দিনগুলোতে প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার সময় এর প্রমাণ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা অবশ্যই এদের মনের কথা বুঝতে পেরেছিলেন- কিছু নেতাকে হয়ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার কাজে পাবেন না, কিন্তু কর্মী-সমর্থকরা থাকবে। তারাই গড়ে তুলবে দলকে।

তিনি ফিরে এলেন ১৭ মে, ১৯৮১। এ ফেরা যেন কণ্টকাকীর্ণ হয়, জিয়াউর রহমান এবং তার দোসররা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টিতে সব কিছু করেছে। ‘শেখ হাসিনার আগমন প্রতিরোধ কমিটি’ গঠিত হয়েছে। তারা কুৎসাপূর্ণ লিফলেট-পোস্টার বিতরণ করেছে। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসেনি।

শেখ হাসিনা চরম ঝুঁকি নিয়েই এসেছিলেন। স্বামী ও শিশু দুই সন্তান এবং বোন শেখ রেহানা তার সঙ্গী হতে পারেননি। আরও সমস্যা ছিল- কোথায় থাকবেন? ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের ৬৭৭ নম্বর বাড়িটি জিয়াউর রহমান সরকারের দখলে। ১৭ মে সন্ধ্যায় মানিক মিয়া এভিনিউ-এর জনসভা শেষে সেখানে থাকা তো দূরের কথা, শ্রদ্ধা নিবেদন ও মিলাদ পড়ার জন্য পর্যন্ত যেতে পারেননি।

পরের দিনগুলো তার কেটেছিল অনেকটা উদ্বাস্তুর মতো- আজ এ বাসায় তো কাল অন্য বাসায়। প্রাণনাশের হুমকিও ছিল। তবে সহজ-সরল জীবন যাপনে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। বাবা-মা দু’জনের কাছ থেকেই এ শিক্ষা পেয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালের প্রথম দিকে শেরে বাংলা নগরে নতুন গণভবন গড়ে তোলা হয় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন-অফিস হিসেবে। বঙ্গবন্ধু সেখানে অফিস শুরু করেন। কিন্তু বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছা মুজিব সেখানে থাকার প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তিনি বলেন-

“সরকারি ভবনের আরাম-আয়েশে প্রতিপালিত হলে ছেলেমেয়েদের মনমানসিকতা ও আচার-আচরণে অহমিকাবোধ ও উন্নাসিক ধ্যান-ধারণা সৃষ্টি হবে। আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।’ (ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ, পৃষ্ঠা ১৭৪)

বঙ্গমাতা তো এমনই হবেন।

কেমন জীবন কাটাতেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, তার বিবরণ আমরা পাই এ গ্রন্থের ২৪৩ পৃষ্ঠায়। ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসের প্রথম দিকে (বঙ্গবন্ধু তখন রাষ্ট্রপতি, বাকশাল চেয়ারম্যান) ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া জার্মানিতে অবস্থান করছেন। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা রয়েছেন সেখানে। এক “বিকেলে হাসিনা, রেহানা ও বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে কার্লসরুয়ে শহরের প্রধান বিপণিকেন্দ্র পরিদর্শনে যাই। …একটি জুতার দোকানে গিয়ে দেখি সেখানে হ্রাসকৃত মূল্যে জুতো পাওয়া যাচ্ছে। প্রত্যেকের জন্য জুতা নির্বাচন করার সময় হাসিনা জয়ের জুতার একই ডিজাইন ও রংয়ের এক জোড়া জুতা নেয় রাসেলের জন্য।”

একবার ভাবুন তো- জাতির পিতা ও রাষ্ট্রপতির কন্যা, খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানীর স্ত্রী পরিবারের সদস্যদের জন্য জুতা কিনছেন সস্তার দোকান থেকে, আমাদের হকাররা যেমন বলে- ‘হাফ দাম হাফ রেট’।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই অভিশপ্ত দিনের সপ্তাহ দুয়েক আগে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যখন জার্মানি যান, তখন তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি পেয়েছিলেন ২৫ ডলার করে সঙ্গে নেওয়ার জন্য। (প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ২৪৭)

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন ১৭ বছরের বেশি। তিন দফা ছিলেন জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা। কিন্তু তার জীবনযাপন সেই আগের মতোই অনাড়ম্বর।

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রবল ঝড়ের মধ্যে নৌকার হাল ধরেছিলেন। তিনি দায়িত্ব নিতে না নিতেই নতুন অস্থিরতা- জিয়াউর রহমানের মৃত্যু। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় তিনি বাংলাদেশের সর্বত্র জনসভা করেন। ড. কামাল হোসেন ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। সে সময়ের সংবাদপত্রে দেখা যাবে- বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রতিটি সমাবেশে অগণিত মানুষ ভিড় করেছে। দেশবাসী নিশ্চিত হয়ে যায়- বাংলাদেশ নতুন নেতা পেয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ তাকে সামনে রেখে গা ঝাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

সেনাবাহিনীপ্রধান এইচ এম এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক আইন জারি করে ক্ষমতা দখলের পর তাকে যে গণতান্ত্রিক শক্তি চ্যালেঞ্জ করতে পারে, তার ভিত্তি এভাবেই রচিত হয়েছিল। সে সময়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৫ দল এবং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়েছিল। দেখা গেছে, শেখ হাসিনা জনসভা করছেন মানিক মিয়া এভিনিউয়ের বিশাল প্রাঙ্গণে এবং খালেদা জিয়ার সভাস্থল গুলিস্তান গোলাপ শাহর মাজার এলাকা। এরশাদবিরোধী হরতাল-মিছিল-সমাবেশে ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ সামনের সারিতে।

১৯৮৩ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারিতে এইচ এম এরশাদের কুখ্যাত মজিদ খানের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে যে প্রবল ছাত্র আন্দোলন কিংবা ১৯৮৪ সালের ২৪ মার্চ নির্ধারিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বাতিলের আন্দোলনে সামনের সারিতে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন প্রভৃতি সংগঠন- জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কোনো খবর নেই। হিজরুল বাহার জাহাজে সমুদ্র প্রমোদভ্রমণ ও অন্য বহুবিধ প্রলোভনে যে সংগঠনের জন্ম, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ যাদের প্রধান অবলম্বন- তারা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক।

শেখ হাসিনাসহ ১৫ দলের নেতাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি (১৯৮৩) গ্রেপ্তার করে দীর্ঘদিন আটক রাখা হয়েছে ক্যান্টনমেন্টে। নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার তারা। ক্যাপ্টেন-মেজররা তাদের হেনস্তা-হয়রানি করছে। খালেদা জিয়াও ক্যান্টনমেন্টে, তবে সেনাবাহিনী প্রধানের বাসভবনে- নিরাপদ ও আরামদায়ক জীবনে।

রাজপথে সক্রিয় হওয়ার পরবর্তী দিনগুলোতে শেখ হাসিনার পথচলা সহজ ছিল না। দল কেবল গুছিয়ে তুলছেন। এ সময়েই ‘বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার নয়, আদর্শের উত্তরাধিকার’- এ চটকদার স্লোগান দিয়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ বিভক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগের কয়েকটি জেলা কমিটির প্রায় পুরোটাই তো চলে যায় ‘বাকশাল’-এ। স্বাধীনতার পর জাসদ ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের’ নামে ছাত্রলীগ ভাগ করে। এক দশক পর গুছিয়ে ওঠা এ সংগঠনে আবার বিভাজন। নিষ্ঠাবান অনেক কর্মী হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ।

কিন্তু শেখ হাসিনার ধৈর্য ও সাহস ফল দেয়। ১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেয়। খালেদা জিয়া নির্বাচন বর্জনের ডাক দেন। দেখা গেল, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ২০০ আসন দখল করতে চলেছে। এইচ এম এরশাদ প্রমাদ গোনেন। তিনি নির্বাচনের ফল স্থগিত করে দিয়ে পরে বেতার-টিভিতে মনমতো ফল ঘোষণা করেন, যা ভোট ডাকাতি ও মিডিয়া ক্যু’র নির্বাচন নামে পরিচিতি পায়। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানেও শেখ হাসিনা নেতৃত্বের আসনে। রাজপথের সভা-সমাবেশে তার অনুসারীরাই প্রবলভাবে উপস্থিত। কিন্তু ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল যায় সামরিক ছাউনির সমর্থিত দল বিএনপির ঘরে, যদিও জনগণের বড় অংশের সমর্থন পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

১৯৯৬ সালের ১২ জুন এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে এই জনসমর্থনের জোরেই তিনি ক্ষমতায় আসেন। খেলাধুলার ক্ষেত্রে যেমন বলা হয় ‘ভাঙাচোরা’ একটি দল- এই দলকে তিনি প্রবল পরাক্রমশালী দলে পরিণত করেন। একের পর এক সফল আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন।

অপরদিকে, ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে যে খালেদা জিয়াকে প্রতিষ্ঠার প্রাণান্ত চেষ্টা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে চালিয়েছে, তার পাশে কিন্তু জনগণ দাঁড়ায়নি। বারবার তিনি চেষ্টা করেছেন শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দিতে। কিন্তু শেষবিচারে দেখা গেছে কেউ নেই পাশে।

২০১৫ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তিনি অনির্দিষ্টকাল হরতাল-অবরোধ ডেকেছিলেন সরকারের পতনের দাবিতে, যা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়। ২০১৩ সালের ৫ মে কিংবা ২০২১ সালের ২৬-২৭ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান ধর্মান্ধ চরমপন্থিদের সাহায্য নিয়ে ভণ্ডুল করার অপচেষ্টাতেও তিনি অসফল। তার সংকল্প ছিল দৃঢ়, সন্দেহ নেই। কিন্তু জনগণকে পাশে পাননি।

চার দশক আগে শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন অর্থনীতি ছিল পর্যুদস্ত। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জন্য, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের জন্য চরম দুঃসময়। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে গর্বিত একটি দেশ। এক সময়ের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ কিংবা বটমলেস বাস্কেট হিসেবে উপহাস করা হতো বাংলাদেশকে। শেখ হাসিনা তার দূরদর্শিতা ও সাহস দিয়ে প্রমাণ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সোনার বাংলা’ কেবল স্বপ্ন ছিল না। বাস্তবেই সোনার বাংলা গড়ে তোরা সম্ভব এবং শেখ হাসিনা সেটা করে দেখিয়েছেন।

অজয় দাশগুপ্ত : মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক।

১৭ মে, ২০২১ ১৭:১৫  । সূত্র: নিউজ বাংলা ২৪ । লিঙ্ক

আরও পড়ুন